"মাগো আমায় ছুটি দিতে বল"।
আজ আমি ক্লান্ত, তোর কোলে মাথা রেখে
ঘুমিয়ে পড়তে চাই। তুই...আর জাগাস না।
দুধের গ্লাসে চুমুক দিতে দিতে কবে যে বড় হয়ে
গেলাম,ঠিক টের পাইনি। এখন মুখে আগুন
জ্বালাই....আগের মতই শীতকালীন ধোঁয়া
ছাড়ি, তবে কোনও ঋতুসংহারে নয়! রোজ...
যখন মন খারাপের কালো মেঘ হৃদয়-আকাশে
জমে ওঠে। এখন আর বৃষ্টি হয় না, গুমোট বেঁধে
থাকে। কাকে বলি বল? তোর কাছে আর কান্না
করতে পারি না।আমার মন খারাপগুলো শুধুই
আমার, নিতান্ত ব্যক্তিগত।
এখনও গভীর রাত হলেই চোখ জ্বালা করে। ঢুলে
পড়ি, রাত কেটে যায় বসার চেয়ারে। আমার
হ্যারিকেন? আর প্রদীপ? কিংবা কেরোসিনের
লম্ফ!
সেগুলো কি মরে গিয়েছে? তবে আমাকেও মেরে
ফেললি না কেন?
মা, আমি আর পারছি না।
রোজ জলপোকার মত উদ্দেশ্যহীন যাত্রার শেষ
কোথায় বলতে পারিস?
মা, তোর ঘরে এখন বৃষ্টি হয়? টিনের চালের
টপটপ শব্দ হয়? তারপর চালের গা বেয়ে বিন্দু
বিন্দু হয়ে নীচে পড়ে?
মা,তুই এখনও কাঁদিস? মনে দুঃখের জোয়ার এলে
এখনও তোর চোখ লাল হয়?
আচ্ছা পাড়ার গীতা কেমন আছে?সে কি এখনও
বর-বৌ খেলে?আমাদের বাছুরটা কেমন আছে?
তার গলায় কি এখনও ঘণ্টা বাঁধা? নাকি বাছুর
এখন গরু হয়ে গিয়েছে, সেই-ই বাচ্চার মা? মা,
দুর্গার কি বিয়ে হয়ে গিয়েছে?
মনে আছে আমি মাছ খেতাম না বলে, ও রান্না
করে আমার জন্য টিফিন বাটিতে সোয়াবিন নিয়ে
আসত...বাটির উপরে থাকত ছাইয়ের
টুকরো,যাতে নজর না লাগে!
মা রে, আজ বড় কষ্টে আছি, যদি তোর কোলে
মাথা রেখে শুতে পারতাম,আর তুই আঁচল দিয়ে
আমার চোখ মুছিয়ে দিতিস.. জানিস, এখন
দুঃখে থাকলেও বুঝতে পারি না, দুঃখে আছি।
অতি গোপনে বেঁচে আছি।
আজ আমি ক্লান্ত, তোর কোলে মাথা রেখে
ঘুমিয়ে পড়তে চাই। তুই...আর জাগাস না।
দুধের গ্লাসে চুমুক দিতে দিতে কবে যে বড় হয়ে
গেলাম,ঠিক টের পাইনি। এখন মুখে আগুন
জ্বালাই....আগের মতই শীতকালীন ধোঁয়া
ছাড়ি, তবে কোনও ঋতুসংহারে নয়! রোজ...
যখন মন খারাপের কালো মেঘ হৃদয়-আকাশে
জমে ওঠে। এখন আর বৃষ্টি হয় না, গুমোট বেঁধে
থাকে। কাকে বলি বল? তোর কাছে আর কান্না
করতে পারি না।আমার মন খারাপগুলো শুধুই
আমার, নিতান্ত ব্যক্তিগত।
এখনও গভীর রাত হলেই চোখ জ্বালা করে। ঢুলে
পড়ি, রাত কেটে যায় বসার চেয়ারে। আমার
হ্যারিকেন? আর প্রদীপ? কিংবা কেরোসিনের
লম্ফ!
সেগুলো কি মরে গিয়েছে? তবে আমাকেও মেরে
ফেললি না কেন?
মা, আমি আর পারছি না।
রোজ জলপোকার মত উদ্দেশ্যহীন যাত্রার শেষ
কোথায় বলতে পারিস?
মা, তোর ঘরে এখন বৃষ্টি হয়? টিনের চালের
টপটপ শব্দ হয়? তারপর চালের গা বেয়ে বিন্দু
বিন্দু হয়ে নীচে পড়ে?
মা,তুই এখনও কাঁদিস? মনে দুঃখের জোয়ার এলে
এখনও তোর চোখ লাল হয়?
আচ্ছা পাড়ার গীতা কেমন আছে?সে কি এখনও
বর-বৌ খেলে?আমাদের বাছুরটা কেমন আছে?
তার গলায় কি এখনও ঘণ্টা বাঁধা? নাকি বাছুর
এখন গরু হয়ে গিয়েছে, সেই-ই বাচ্চার মা? মা,
দুর্গার কি বিয়ে হয়ে গিয়েছে?
মনে আছে আমি মাছ খেতাম না বলে, ও রান্না
করে আমার জন্য টিফিন বাটিতে সোয়াবিন নিয়ে
আসত...বাটির উপরে থাকত ছাইয়ের
টুকরো,যাতে নজর না লাগে!
মা রে, আজ বড় কষ্টে আছি, যদি তোর কোলে
মাথা রেখে শুতে পারতাম,আর তুই আঁচল দিয়ে
আমার চোখ মুছিয়ে দিতিস.. জানিস, এখন
দুঃখে থাকলেও বুঝতে পারি না, দুঃখে আছি।
অতি গোপনে বেঁচে আছি।
0 Comments
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন